শুক্রবার, ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫৭
শিরোনাম :
মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে মেহেন্দিগঞ্জের নাসিরহাট খালা মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রিজ ‘নদী শাসন নয়, প্রয়োজন সংস্কার’—মেহেন্দীগঞ্জে জামায়াত আমিরের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত জনালেন কমিশন ২০ বছর পর বরিশালে তারেক রহমান: বেলস পার্কে নেতাকর্মীদের ঢল, সাজ সাজ রব ভোলায় দৌলতখান বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৯ বাবুগঞ্জে বর্ণমালা কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বরিশাল বাণী’র সম্পাদক মামুন-অর-রশিদ-এর শুভ জন্মদিন আজ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)র সঙ্গে বিএনপির বৈঠক কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করতে পারবেন না: আপিলও খারিজ পটুয়াখালী-৩: আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নুরুল হক নুরকে শোকজ

বরিশাল-৩ আসনে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে; ব্যারিস্টার ফুয়াদ

মুলাদী প্রতিনিধি::

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ১০ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে প্রার্থী ও ভোটারদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাস্তবসম্মত নয়।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ৭ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ভোটারদের মনে ভয়ভীতি কাজ করছে। ভোট দিতে গিয়ে এবং ভোট শেষে নিরাপদে বাড়ি ফেরার বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক রয়েছে। বর্তমানে যে পরিমাণ পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে আছে, তা দিয়ে সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, যৌথ বাহিনী অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অভিযান পরিচালনায় ঝুঁকি নিচ্ছে না। কারণ অভিযানের সময় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে কি না- এই আশঙ্কা তাদের মধ্যে কাজ করছে।

ব্যারিস্টার ফুয়াদের মতে, ভোটার ও প্রার্থীদের ভয়ভীতি দূর করতে হলে স্থানীয় পাতি মাস্তান, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এবং মাদক পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আইনের আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অভিযানের সময় দুই-একটি দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনকারী যৌথ বাহিনীকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিশ্চয়তা দিতে হবে, যাতে তারা কোনো আইনি ঝুঁকিতে না পড়ে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হওয়া প্রয়োজন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন নির্ধারিত অপারেশনাল প্রটোকল অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করতে পারে। সে বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া জরুরি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, শুধু র‍্যাব ও পুলিশ দিয়ে ভালো নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে।

ভিডিও বার্তায় তিনি আরও অভিযোগ করেন, বরিশাল-৩ আসনে এলাকার পাতি মাস্তান ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় প্রকৃত আসামিদের আড়াল করে বিরোধী পক্ষের লোকজনকে গ্রেপ্তার করে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এইভাবে একতরফা গ্রেফতার অভিযান চলতে থাকলে নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় যে সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকার কথা, তা আর বজায় থাকবে না।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা