শুক্রবার, ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫৬
শিরোনাম :
মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে মেহেন্দিগঞ্জের নাসিরহাট খালা মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রিজ ‘নদী শাসন নয়, প্রয়োজন সংস্কার’—মেহেন্দীগঞ্জে জামায়াত আমিরের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত জনালেন কমিশন ২০ বছর পর বরিশালে তারেক রহমান: বেলস পার্কে নেতাকর্মীদের ঢল, সাজ সাজ রব ভোলায় দৌলতখান বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৯ বাবুগঞ্জে বর্ণমালা কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বরিশাল বাণী’র সম্পাদক মামুন-অর-রশিদ-এর শুভ জন্মদিন আজ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)র সঙ্গে বিএনপির বৈঠক কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করতে পারবেন না: আপিলও খারিজ পটুয়াখালী-৩: আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নুরুল হক নুরকে শোকজ

ভাসানচরে বাঁশের সাঁকোই যতায়তের ভরসা: বরাদ্ধের টাকা নিয়ে ঠিকাদার উদাও

কাজিরহাট প্রতিনিধি (​মোঃ জুনায়েত হোসেন)::

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানার অন্তর্গত ভাসানচর ইউনিয়নে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের এক অদ্ভুত চিত্র ফুটে উঠেছে। দফাদার হাট বাজার থেকে হিশামুদ্দি বাজার সড়কটির পূর্ব পাশে মোল্লা বাড়ির সামনের খালে একটি ছোট সেতুর বাজেট বরাদ্দ হলেও দীর্ঘ এক বছর ধরে ঝুলে আছে এর নির্মাণকাজ। ফলে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো (চাড়) দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে কয়েক গ্রামের মানুষকে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে এই সেতুটি নির্মাণের জন্য সরকারিভাবে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির মুখে কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন তা বন্ধ ছিল। সম্প্রতি স্থানীয়দের চাপের মুখে কাজ শুরু হওয়ার আভাস পাওয়া গেলেও নামমাত্র কিছু কাজ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি লাপাত্তা হয়ে গেছে। তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের হদিস মিলেনি।

​বর্তমানে সেতুর নির্মাণস্থলে ঢালাই বা কাঠামো তৈরির কোনো উদ্যোগ না থাকায় স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন। প্রতিদিন এই নড়বড়ে সাঁকো দিয়েই শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং বৃদ্ধসহ শত শত মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। হিশামুদ্দি বাজার ও দফাদার হাট বাজারের সংযোগকারী এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি অচল হয়ে পড়ায় মালামাল পরিবহনে বড় ধরনের লোকসান গুনছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “বাজেট আসার খবর শুনে আমরা খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু কাজ শুরু করে মাঝপথে ফেলে রেখে যাওয়ায় আমাদের কষ্ট উল্টো বেড়েছে। এখন আমাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে।”

​তারা আরও জানান, এই সেতুটি দ্রুত সম্পন্ন করা না হলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়বে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা