শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:২৬
শিরোনাম :
পটুয়াখালীর কালিশুরীতে ব্র্যাক ইউপিজি কর্মসূচির আওতায় ষাঁড় বিতরণ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ: নলছিটিতে গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন নলছিটিতে জমি নিয়ে বিরোধ: নির্মাণকাজে বাধা ও হুমকির অভিযোগ নলছিটিতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে পঁচা কলা বিতরণ: সরবরাহকারীকে ঘিরে অভিভাবকদের তীব্র ক্ষোভ শেবাচিম হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়নে বিসিসি প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনের মতবিনিময় সভা বিদ্যুৎ থাকলেও বন্ধ ফ্যান, নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নাভিশ্বাস নলছিটিতে জমি বিরোধের জেরে যুবককে কু*পি*য়ে জখম; থানায় অভিযোগ উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষ উদ্যোগ রক্তের সম্পর্ক ছাপিয়ে ৪ দশকের মায়া: গৃহকর্মীর মৃত্যুতে ৫শ মানুষকে খাওয়ালেন নলছিটির মাহফুজ খান নলছিটিতে আওয়ামী লীগ আমলে দখল হওয়া জমি ও দোকান উদ্ধারের দাবি সাবেক সেনাসদস্যের পরিবারের

বিদ্যুৎ থাকলেও বন্ধ ফ্যান, নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নাভিশ্বাস

নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি:
ঝালকাঠির ৫০ শয্যা বিশিষ্ট নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডে ফ্যান বন্ধ রাখায় তীব্র গরমে রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডের রোগীরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
সরেজমিনে এবং ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, হাসপাতালের নার্সিং রুমে ফ্যান সচল থাকলেও সাধারণ রোগীদের ওয়ার্ডগুলোতে ফ্যান বন্ধ রাখা হচ্ছে। প্রচণ্ড দাবদাহে অসুস্থ রোগীরা, বিশেষ করে শিশুরা ঘেমে-নেয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ডায়রিয়া ওয়ার্ডের রোগীরা পানিশূন্যতার পাশাপাশি অসহ্য গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বাইরে থেকে দেখা যায় বিদ্যুৎ আছে, নার্সদের রুমেও ফ্যান চলছে। কিন্তু আমাদের ওয়ার্ডে ফ্যান বন্ধ। গরমে অসুস্থ মানুষের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বারবার বলা হলেও কেউ বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না। সরকারি হাসপাতালে এসে এমন অমানবিক আচরণ কাম্য নয়।”
আরেক রোগীর অভিভাবক জানান, চিকিৎসার জন্য এসে এই গরমে নতুন করে অসুস্থ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। হাতপাখা দিয়ে বাতাস করেও শিশুদের কষ্ট লাঘব করা যাচ্ছে না। হাসপাতালের এই অব্যবস্থাপনাকে ‘বিমাতাসুলভ আচরণ’ বলে উল্লেখ করেন অনেক স্বজন।
এ বিষয়ে জানতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও দায়িত্বশীল কাউকে পাওয়া যায়নি অথবা তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে হাসপাতালের এমন অব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন, সাধারণ মানুষের করের টাকায় হাসপাতাল চলে, অথচ সেখানেই রোগীরা ন্যূনতম সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে রোগীদের এমন ভোগান্তি নিরসনে স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা