মঙ্গলবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:১৫
শিরোনাম :
ভাসানচরে বাঁশের সাঁকোই যতায়তের ভরসা: বরাদ্ধের টাকা নিয়ে ঠিকাদার উদাও বরিশাল-৩ আসনে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে; ব্যারিস্টার ফুয়াদ তিন অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে ইসি ছাড়ল ছাত্রদল মেহেন্দিগঞ্জে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল বয়াতি বহিস্কার কাজিরহাটের ভাসানচর ইউনিয়নে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে দফাদার বাজার-হেশামদ্দি সড়ক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা’র বি আর টি সিতে কালো থাবা প্রতি মাসে মাসোয়ারা ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা কাজিরহাট থানা নির্মাণাধীন রাস্তার পাশে মালবাহী অটো উল্টে দুর্ঘটনা; কৃষক ও চালক গুরুতর আহত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে সন্তোষপুর মাদ্রাসার পেছনের রাস্তা: দুর্ভোগে হাজারো শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নে সড়ক উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ বরিশালে বিশেষ কম্বিং অপারেশনে বিপুল পরিমান বেহুন্দি জাল ধ্বংস

চুয়াডাঙ্গায় ম্যাজিস্ট্রেট, স্বাস্থ্যকর্মীসহ করোনা পজিটিভ ১১

বিজলী ডেক্স: চুয়াডাঙ্গায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১১ জন করোনা পজিটিভ বলে শনাক্ত হয়েছেন। এই নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের দুজন কর্মচারী রয়েছেন।
জেলার সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান জানান, করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে সদর ও দামুড়হুদা উপজেলায় চারজন করে এবং আলমডাঙ্গা উপজেলার তিনজন বাসিন্দা রয়েছেন। ওই ১১ জনের মধ্যে আটজনই সামাজিকভাবে সংক্রমিত।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার মোট ৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল হাতে পাওয়া যায়। যার মধ্যে ২৮ জনই নেগেটিভ। বাকি ১১ জন করোনা পজিটিভ।
সূত্রমতে চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে এ পর্যন্ত ৫৯৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আজকে পর্যন্ত ৪৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী ৪৪১ জন করোনা নেগেটিভ এবং ৪৩ জন করোনা পজিটিভ। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত সদর উপজেলায়, ২৩ জন। এ ছাড়া আলমডাঙ্গায় ১৩ জন ও দামুড়হুদায় সাতজন রয়েছে। তবে জীবননগর উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।
আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, একজন মারা গেছেন এবং বাকিরা সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসোলেশনে ও হোম আইসোলেশনে আছেন।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা