রবিবার, ২৮শে নভেম্বর, ২০২১ ইং, সকাল ৮:০৯

পেঁয়াজের জ্বালায় অস্থির হয়ে পড়েছি : বাণিজ্যমন্ত্রী

বিজলী ডেস্ক :

পেঁয়াজের জ্বালায় নিজে অস্থির হয়ে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী। আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশের ৫০ বছর কৃষির রূপান্তর ও অর্জন’শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও ভোগের সঠিক পরিসংখ্যানের অভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পেঁয়াজের কথা ধরেন। পেঁয়াজের জ্বালায় আমি অস্থির হয়ে পড়েছি। পরিসংখ্যানের একটা ঝামেলা রয়েছে। আমাদের প্রয়োজন ২৪-২৫ লাখ টন পেঁয়াজ। উৎপাদনও হয় এমনই ২৫-২৬ লাখ টন। তাহলে আমদানি কেন? এমন প্রশ্ন আসে। সেক্ষেত্রে বক্তব্য হচ্ছে প্রায় ২০ শতাংশ পেঁয়াজ আমাদের নষ্ট হয়।’

সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকেই দেশের পেঁয়াজ কমতে থাকে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ওই সময়ে ভারত থেকে আনতে হয়। এ ক্ষেত্রে ভারতের ওপর আমরা ৯০ শতাংশ নির্ভরশীল। ভারত বন্ধ করে দিলে অথবা দাম বাড়ালে এর প্রভাব বাজারে পড়ে।’

কৃষিবিদদের উদ্দেশ্যে টিপু মুনশী বলেন, ‘আপনারা পেঁয়াজের এমন বীজ আনেন যাতে সেপ্টেম্বর অক্টোবরে আমরা পেঁয়াজ পাই। উৎপাদন বাড়ানো গেলে, নষ্ট কমলে আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে পেঁয়াজের বাজারে কোনো সমস্যা হবে না।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘গত বছর কৃষি মন্ত্রণালয় হিসাব দিলো ১ কোটি ৫ লাখ টনের মতো আলু উৎপাদন হবে। আর আমরা ৭০-৭৫ লাখ টন আলু খাই। তার মানে আলু সারপ্লাস থাকবে। কিন্তু গত বছরের বাজারের চিত্র কিনতু সেটা বলে না। গত বছর আলুর দাম ৪০ টাকায় ঠেকল। কোল্ডস্টোরেজ থেকে বেরোতে বেরোতে আলু ৩৫-৩৬ টাকা হয়ে গেল, আলু এক্সপোর্ট হলো না। তার মানে হিসাবে একটা গণ্ডগোল রয়েছে। হয় আলুর উৎপাদন কম হয়েছে, নয়তো আলুর চাহিদা আরও বেশি।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, এফএও বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রবার্ট ডি সিম্পসন এবং ইউএসএআইডি বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন স্টিভেন্স।