মঙ্গলবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং, সকাল ৯:০২

লঞ্চ চলাচলের আরও সময় বাড়ল

অনলাইন ডেস্ক::

গার্মেন্টসসহ সব কলকারখানার কাজে যোগ দিতে শ্রমিকদের পরিবহনের জন্য লঞ্চ চলাচলের সময় আরও বাড়ানো হয়েছে। এতে করে সোমবার (২ আগস্ট) ভোর ৬টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করবে।

রোববার (১ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ জানায়, অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে লঞ্চ চলাচলের নির্ধারিত সময় বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরতে ভোগান্তি কমাতে রোববার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সব জেলা এবং শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও পাটুরিয়া দৌলতদিয়া রুটে লঞ্চ চলার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। শনিবার সন্ধ্যায় বিআইডব্লিউটিএ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

এদিকে করোনা সংক্রমণে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই রোববার (১ আগস্ট) থেকে চালুর ঘোষণায় গ্রামে আটকা পড়া শ্রমিকরা যে যেভাবে পারছেন ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা কর্মস্থলে ছুটছেন। তাদের সীমাহীন দুর্ভোগ নিয়ে পোশাক কারখানা মালিকদের সমালোচনা যখন চরমে, এমন সময়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

শনিবার (৩১ জুলাই) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এই বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের সভাপতি ফারুক হাসান জানিয়েছিলেন, রপ্তানিমুখী শিল্পের সার্বিক দিক বিবেচনা করে সরকার আগামী ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা লকডাউনের আওতাবহির্ভূত রাখার জন্য গত ৩০ জুলাই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এ সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রী এবং সরকারের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, এই করোনা ক্রান্তিকালে রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এবং দেশ ও অর্থনীতি এবং জীবন ও জীবিকা দুটোই সমন্বয়ের স্বার্থে সব রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। তবে কারখানা পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত এবং বিজিএমইএ প্রদত্ত সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সংগঠনের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, লকডাউন পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত গ্রামে অবস্থানরত কোনো শ্রমিক-কর্মচারী কারখানায় কাজে যোগদান করতে না পারলে তাদের ওপর কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এ সময়ে কারখানার আশপাশে অবস্থানরত শ্রমিকদের নিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য আহ্বান করছি।

এ ছাড়া পোশাক শিল্পে কর্মরত সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের জন্য করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করায় সরকারের প্রতি বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবারো কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি।

বিজিএমইএ সভাপতি মনে করেন, রপ্তানি বাণিজ্যে গতি ধরে রাখতে শ্রমিকদের শতভাগ টিকার আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। শ্রমিকদের নিরাপত্তায় করোনার টিকার ব্যাপারে সহায়তা চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকেও আহ্বান করা হয়েছে বলে জানান তিনি।