রবিবার, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:০৫
শিরোনাম :
নেছারাবাদ সাগরকান্দার কুখ্যাত ডাকাত রুবেল খুলনায় আটক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডাক্তারের অবহেলায় নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে নারী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ‍্যে নেছারাবাদ উপজেলায় মতবিনিময় সভা বরিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবসের কর্মসূচি প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে আশ্রয় নিল ১৪ মিয়ানমার সেনা জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারার দল বিএনপি: শেখ ফজলে শামস পরশ বিআইডব্লিউটিএ’র গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সার্ভিসের সাতটি ইউনিট অগ্রণী ব্যাংক ৯৭৫ তম রায়পুরা শাখার উদ্বোধন আসন্ন রায়পুরা পৌরসভা নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডে মোঃ বাহাউদ্দীনকে কাউন্সিলর করতে চান “ওয়ার্ডবাসী”

বরিশাল বিভাগে মোট আক্রান্ত ৪০৫, নতুন করে ২১ জনের করোনা শনাক্ত

বিজলী ডেক্স:

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২১ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এই বিভাগে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ ছাড়াল।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছ, গত ৯ এপ্রিল থেকে আজ বুধবার পর্যন্ত বিভাগের ছয় জেলায় ৪০৫ জনের করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হলো। এর মধ্যে গত আট দিনেই শনাক্ত হয়েছে ১৫৮ জনের, যা মোট শনাক্তের ৩৯ দশমিক শূন্য ১ ভাগ। এর মধ্যে মারা গেছেন ৯ জন। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বুধবার সকালে বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্র জানায়, বিভাগের ছয় জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২১ জনসহ মোট শনাক্ত হওয়া কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ৪০৫ জন। এর মধ্যে আক্রান্তের দিক থেকে সর্বোচ্চে রয়েছে বরিশাল জেলা। এই জেলায় আক্রান্ত ১৯০ জন। এত দিন বরগুনা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও এখন পিরোজপুর দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। এই জেলায় আক্রান্ত ৬৪ জন। এরপর বরগুনায় ৫৫ জন, পটুয়াখালীতে ৪৩ জন, ঝালকাঠিতে ৩৮ জন ও ভোলায় ২৩ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, গত ৯ এপ্রিল বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলায় করোনায় সংক্রমিত দুজন রোগীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই বিভাগে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ২৬ এপ্রিলের মধ্যে বিভাগের ছয় জেলায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। এপ্রিলে বিভাগে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬ থেকে ১২ মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও শেষ সপ্তাহে কিছুটা কমে আসে। এরপর মে মাসের প্রথম থেকে সংক্রমণ আবার বাড়তে থাকে। সেটা ১৮ মে পর্যন্ত ৬ থেকে ১৩ জনের মধ্যে সীমিত ছিল। এরপর আবার বাড়তে থাকে।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা