মঙ্গলবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:৪২
শিরোনাম :
‘বিভাজন নয়, ঐক্যই হবে রাজনীতির ভিত্তি’- জামায়াত আমির ভাসানচরে বাঁশের সাঁকোই যতায়তের ভরসা: বরাদ্ধের টাকা নিয়ে ঠিকাদার উদাও বরিশাল-৩ আসনে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে; ব্যারিস্টার ফুয়াদ তিন অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে ইসি ছাড়ল ছাত্রদল মেহেন্দিগঞ্জে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল বয়াতি বহিস্কার কাজিরহাটের ভাসানচর ইউনিয়নে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে দফাদার বাজার-হেশামদ্দি সড়ক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা’র বি আর টি সিতে কালো থাবা প্রতি মাসে মাসোয়ারা ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা কাজিরহাট থানা নির্মাণাধীন রাস্তার পাশে মালবাহী অটো উল্টে দুর্ঘটনা; কৃষক ও চালক গুরুতর আহত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে সন্তোষপুর মাদ্রাসার পেছনের রাস্তা: দুর্ভোগে হাজারো শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নে সড়ক উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ

ছুটি আর বাড়ছে না : শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন ছাড়া সবই খুলছে

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে চলমান সাধারণ ছুটি ৩০ মে’র পর আর বাড়ছে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা হবে অফিস-আদালত। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন আপাতত বন্ধ থাকবে। বুধবার বিকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য জানিয়ে বলেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন আমরা পেয়েছি মাত্র। দেশে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রায় আড়াই মাসের মতো সাধারণ ছুটি চলছে, যেটা গত ২৬ মার্চ থেকে কয়েক দফায় বাড়ানো হয়। তবে এবার ৩০ মে’র পর আর ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হবে না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩১ মে থেকে সরকারি বেসরকারি সব অফিস পুরোদমে কাজ শুরু হবে। তবে জুনের মাঝামাঝি মানে ১৫ জুনের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা সবাইকে বেঁধে দেয়া হচ্ছে, এই সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। আমরা গণপরিবহন ও যাত্রীবাহী সবধরনের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এখনো বন্ধ রাখছি। তবে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করবে।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে। গণজমায়েত ও সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও ধর্মীয় উপাসনালয় খোলা থাকবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
গত ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত পড়ার পর ক্রমে পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। সরকার ঘোষিত ছুটির সঙ্গে বন্ধ রাখা হয় দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল। এমন পরিস্থিতিতে ২৯ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয় দেশের সব বিপণি বিতান ও মার্কেটগুলো। তবে ৩০ তারিখ থেকে মার্কেট খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি।
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে খোলা হয়েছিলো সারাদেশের দোকানপাটগুলো। তবে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, মহানগর দোকান মালিক সমিতির গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহানগরের সব বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল ঈদের দিন থেকে ২৯ মে শুক্রবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
ফলে আগামী ৩০ মে শনিবার থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিধি-নিষেধ মেনে যথানিয়মে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাত্রা এখনো চরম পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও ১৫৪১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮ হাজার ২৯২ জনে। এছাড়া একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৪৪ জনে। তবে অর্থনৈতিক ক্ষতির কথা বিবেচনা করে সীমিত আকারে কিছু কিছু খাতে অচলাবস্থা কাটাতে চাচ্ছে সরকার।
করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফা বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। চতুর্থ দফায় ছুটি বাড়ানো হয় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। পঞ্চম ধাপে ২৬ এপ্রিল থেকে ০৫ মে পর্যন্ত ও ষষ্ঠ দফায় ৬ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। আর সর্বশেষ ১৭ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা