মঙ্গলবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং, সকাল ৯:২২

১৩ দিন পর বাড়ি ফিরে দেখেন কিছুই নেই

অনলাইন ডেস্ক::

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতির আজ দ্বিতীয় দিন। সংঘাতের ১১ দিন পর (২০ মে) তারা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করে। এরই মধ্যে হাজারো উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনি বাড়ি ফিরেছেন। ১৩ দিন পর আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে অনেকের কপালে হাত পড়েছে। কারণ তারা যেখানে থাকত তার আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। বোমায় তছনছ হয়েছে তাদের ঘরবাড়ি।

শুক্রবার (২১ মে) ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিল্প, বিদ্যুৎ ও কৃষি খাতের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা ফিরিয়ে আনতে ১০ কোটি মিলিয়ন ডলার খরচ হবে। অনেক এলাকায় পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

শনিবার (২২ মে) সকালে ফিলিস্তিনিদের খোলা আকাশের নিচে, রাস্তার পাশে থাকতে দেখা গেছে।

গাজার ১৩ হাসপাতালে অনেক রোগীর ভিড়। তার মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যাপ্ত নেই।

এরই মধ্যে গাজায় ত্রাণের চালান ঢুকেছে। ত্রাণের ট্রাকে খাবার, পানি ও জ্বালানি রয়েছে। জাতিসংঘের দ্রুত সাড়াদান তহবিল বলছে, প্রায় দুই কোটি ডলার মানবিক সহায়তা ফিলিস্তিনিদের জন্য সরবরাহের প্রচেষ্টা রয়েছে।

ফিলিস্তিনে এক হাজার বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ৭০০ বাড়ি পুরো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আর ১৪ হাজার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চলতি মাসে শেখ জারাহ দখল নিয়ে সংঘর্ষে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ শুরু হয়। তারপর শুরু হয় ইসরায়েলের ওপর দমন-পীড়ন। অনেকে এলাকা ছাড়েন। অনেকের নামেই মামলা হয়, যা আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি কাড়ে।

১১ দিন ধরে সংঘাত চলার পর ২০ মার্চ রাতে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে। গত ১০ মার্চ রাত থেকে অধিকৃত এই উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। হামলায় অন্তত ২৩২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬৫ শিশু রয়েছে। অপরদিকে ইসরায়েলে হামাসের ছোড়া রকেটে ১২ জন নিহত হয়েছেন।