মঙ্গলবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং, সকাল ৭:১১

ওয়ারন্টেরে আসামী ধরতে গয়িে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দলিনে এএসআই জাহদি

নিজস্ব প্রতিবেদক::

আমার হৃদয় নাড়া দিয়ে উঠছে বাচ্চাদরে আকুতি দখেে আমার চোখে পানি চলে এসছেে

আসামি গ্রফেতাররে পরে অসহায় পরিবারকে খাবার দিলেন পুলশি। ওই পুলশি বলছনে আসামী যতদনি জামনি না পাবে তত দনি তার পক্ষ থক্ষেে খাদ্য সহায়তা করবনে ওই এএসআই জাহদি।
ঘটনাটি হুবহু তুলে ধরা হলোঃ
পিরোজপুররে মঠবাড়য়িায় ওয়ারন্টে ভুক্ত আসামি গ্রফেতাররে পর ব্যাথতি হয়ে তার বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেনে মানবকি পুলশি এ এস ই জাহদি। আসমরি পরবিার ও থানা সূত্রে জানা যায়
একজন অসহায় গৃহবধূ। এতো অসহায় না দখেলে কউে বুঝতইে পারবনো। তিনি ৩ সন্তানরে জননী। এই দরদ্রি মায়রে বাড়ি উপজেলার পশ্চমি সনেরে টকিকিাটা গ্রাম।ে স্বামী জাকরি হোসনে ওরফে সুতা জাকরিরে কারণে আজ তনিি নঃিস্ব।

ব্যবসার জন্য স্ত্রীকে জামনিদার করে মঠবাড়য়িা ব্রাক ব্যাংক থকেে জাকরি হোসনে ২০ লাখ টাকা ঋণ নয়ে। একে একে এই উপজলোর বভিন্নি এনজওি থকেে আরও ৩০ লাখ টাকা ঋণ উত্তোলন করনে সুচতুর জাকরি। গোপনে বক্রিি করে দয়ে সব জমজিমা।
পরে ২০১৫ সালে দ্বতিীয় বয়িে করে মঠবাড়য়িা থকেে পালয়িে যায়। পরে জাকরি ও তার প্রথম স্ত্রী মরয়িমরে বরিুদ্ধে পরিোজপুর র্অথ ঋণ আদালতে এনজওির পক্ষ থকেে মামলা রুজু করা হয়। মামলা নং-০৩/১৭।
সইে সময়ে মরয়িম বগেম মাথা গোঁজার শষে সম্বলটুকু হারয়িে সাজানো সংসার ছড়েে ৩ জন সন্তান নয়িে নানা বাড়তিে আশ্রয় নয়ে। সখোনে থকেে অন্য মানুষরে ঘরে ঘরে ঝয়িরে কাজ করে ও কাঁথা সলোই করে সংসার চালাতে থাকনে। এ কাজে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা মরয়িম বগেমরে।
তনিসিহ বড় ময়েে শারমনি আক্তার (১৮), ছলেে রুম্মান (১১) ও ছোট ময়েে জান্নাতি আক্তার সংসাররে এ অবস্থায় কোনমতে বঁেচে আছনে। বশেরি ভাগ দনিই মা এবং বড় ময়েে ক্ষুধা নইে বলে ঘরে যে খাবার থাকে তা রুম্মান ও জান্নাতকিে খাইয়ে দয়িে তারা দু’জন অনাহারে থাকনে।
এদকিে ওই মামলায় আদালত থকেে ওয়ারন্টে ইস্যু হয় স্বামী-স্ত্রীর নাম।ে স্বামী র্দীঘদনি ধরে পলাতক। মরয়িম বগেম আছনে এলাকাতইে। সোমবার (৩০ আগস্ট) মঠবাড়য়িা থানার সহকারী পুলশি পরর্দিশক জন্নোত আলী, উপ-সহকারী পুলশি পরর্দিশক জাহদিুল ইসলাম ও লাবনী আক্তার ওয়ারন্টেরে আসামি মরয়িম বগেমরে বাড়তিে যান।
তার বাড়তিে তাকে পয়েে যান পুলশিরে ওই টমি। তবে মরয়িম বগেমরে সংসাররে অবস্থা দখেে মনরে মানবকিতার ভতিরটায় নাড়া দয়ে এএসআই জাহদিুল ইসলাম জাহদিরে। মরয়িম বগেমকে থানায় নয়িে যাবার সময় তার সন্তানরা যখন কান্নারত অবস্থায় বলতে ছলিো ‘আমরা এখন থাকবো কভিাব,ে খাবো ক,ি ঘরতেো কছিুই নইে। আমাদরে মাকে ছড়েে দনে। মা কছিু করে নাই।’
এই কথাগুলো তখন এএসআই জাহদিরে কানে বষিাদরে সুররে মতো বাজতে ছলিো। কি আর করার ওয়ারন্টেরে আসাম।ি আদালতরে আদশে তামলি করতইে হব।ে
তাই আইনরে প্রতি শ্রদ্ধা রখেে মরয়িম বগেমকে থানায় নয়িে আসা হলওে তাৎক্ষনকি মঠবাড়য়িা বাজার থকেে ওই পরবিাররে জন্য এক মাসরে চাল, ডাল, তলে, আলু, লবন, সাবান, পয়োজ, মরচি, হলুদ, চনি,ি চা সহ বভিন্নি খাদ্য সহায়তা নয়িে হাজরি হন এএসআই জাহদি।
এ বষিয় মরয়িম বগেমরে সন্তানরা বলনে জাহদি স্যার আমাদরে পটেে খাবাররে ব্যাবস্থা করে দয়িছেনে না হয় আমরা না খয়েে থাকতাম কারন আমাদরে মা ছাড়া সংসাররে হাল ধরার মতো আর কউে নইে, আমার মা নর্দিোষ আমরা আদালতরে কাছে মায়রে মুক্তি দাবী করছ।ি