শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং, রাত ১০:০৮
শিরোনাম :
মুলাদীতে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ এর নবাগত কমিটির আনন্দ র‌্যালী ও পথসভা অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জ মা ইলিশ রক্ষায় অভিযানে ৮ জেলের কারাদন্ড করোনার দ্বিতীয় থাবা মোকাবিলায় আমরা এখন থেকে প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বিশ্বনবীকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্রের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত শিশু সন্তানের গলায় চাকু ধরে মাকে ধর্ষণ! বরিশালে পরীক্ষার দাবিতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্যাকেজ সুবিধা দিতে ব্যাংকগুলোকে আরো আন্তরিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক আরিফ হোসেনের পিতৃবিয়োগে বিজলী বার্তার শোক লাভ ফর ফ্রেন্ডসের উদ্দ্যেগে নলছিটিতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত

সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতন শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি বিএসএফ’র..

অনলাইন ডেক্সঃ

সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতন বন্ধের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়ার কথা জানিয়েছেন ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক রাকেশ আস্তানা। ঢাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের সম্মেলন শেষে তিনি এ কথা জানান।

গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে পিলখানায় বিজিবি সদর দফতরে এ সম্মেলন শুরু হয়। এতে বিজিবির মহাপরিচালক মো. সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বিএসএফের তরফ থেকে অংশ নেয় রাকেশ আস্তানার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল।

সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতন শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে বিজিবি-বিএসএফের সম্মতি ও যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এ সম্মেলন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে দুই বাহিনী প্রধান যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন।

এতে বলা হয়, সীমান্তহত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা, মাদকদ্রব্য, অবৈধ অস্ত্র, মানবপাচার রোধ এবং মানবাধিকারের বিষয় প্রাধান্য দেয়ার ব্যাপারে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালকের পর্যায়ের বৈঠকে সম্মত হয়েছে দুই বাহিনী।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও বিজিবি সদরদফতরের সংশ্লিষ্ট স্টাফ অফিসার ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যৌথ নদী কমিশন এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিনিধিত্ব করেন। ভারতীয় প্রতিনিধিদলে বিএসএফ সদরদফতরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ছিলেন।