মঙ্গলবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:০৩
শিরোনাম :
‘বিভাজন নয়, ঐক্যই হবে রাজনীতির ভিত্তি’- জামায়াত আমির ভাসানচরে বাঁশের সাঁকোই যতায়তের ভরসা: বরাদ্ধের টাকা নিয়ে ঠিকাদার উদাও বরিশাল-৩ আসনে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে; ব্যারিস্টার ফুয়াদ তিন অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে ইসি ছাড়ল ছাত্রদল মেহেন্দিগঞ্জে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল বয়াতি বহিস্কার কাজিরহাটের ভাসানচর ইউনিয়নে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে দফাদার বাজার-হেশামদ্দি সড়ক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা’র বি আর টি সিতে কালো থাবা প্রতি মাসে মাসোয়ারা ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা কাজিরহাট থানা নির্মাণাধীন রাস্তার পাশে মালবাহী অটো উল্টে দুর্ঘটনা; কৃষক ও চালক গুরুতর আহত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে সন্তোষপুর মাদ্রাসার পেছনের রাস্তা: দুর্ভোগে হাজারো শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নে সড়ক উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ

মুলাদীতে তুবা’র ৪টি কাবিনে জন্মতারিখ ৩টি প্রতারণা

মুলাদী প্রতিনিধিঃ মুলাদী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের আঃ খালেক খানের কন্যা তুবা জাহান মীম পর পর ৪টি বিয়ের পর ধরা খেলে ৪র্থ স্বামীর কাছে। তুবা জাহান মীম গত ১০/০২/২০১২ তারিখের ১ম বিয়ের কাবিনে জন্মতারিখ ০৫/১০/১৯৯২ইং, ২য় বিয়ে হয় কোর্টের মাধ্যমে ১৫/০৭/২০১২ তারিখে তাতে লেখা বয়স ২০ বছর, ৩য় বিয়ে ০১/১০/২০১৬ইং তাতে জন্ম তারিখ ০৩/০৬/১৯৯৫ইং ৪র্থ বিয়েতে ১৮/০৬/২০১৮ তারিখে তাতে জন্ম তারিখ ০৩/০৬/১৯৯৫ইং।

এভাবে প্রতারনা আশ্রয় গ্রহন করেন আঃ খালেক খানের স্ত্রী আলমতাজ বেগম ও পুত্র শাহাদাত হোসেন খান আনান। জানা যায় ৪র্থ বিষের সময় তুবা’র মা ও ভাই বলে যে তাদের বোন অবিবাহিত, বিয়ের প্রায় ২/ ৩ মাস পর ৪র্থ স্বামীকে বলে আমাকে তুমি তালাক দিয়ে দাও, আমি তোমার সংসার করব না। প্রতিটি বিয়ের কাবিনে দেখা যায় বড় বড় অংকের টাকার মহরানা লেখা আছে। প্রতিটি স্বামীর সংসারে গিয়ে ২/৩ তিন মাস সংসার করে নিজের ইচ্ছায় তালাক নিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্চে।

কাবিনের টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে ধর্ষন মামলা সহ বিভিন্ন মামলা ভয় দেখানো হচ্ছে তুবা ও তার মা এবং ভাইয়ের কাজ। ৪র্থ স্বামী মোঃ সোলাইমান খান যখন তার অপকর্মের ধরা পরে তার পর থেকে তাকে তালাক দেওয়া ও কাবিনের টাকা দাবী করে তুবা নতুবা তাকে মিথ্যা মামলায় জরানোর ভয় দেখায়। সোলাইমান খান নিরুপায় হয়ে মুলাদী পৌরসভার সরকারী কাজি অফিসে গিয়ে পরপর ৩টি তালাক নামা প্রেরন করে, তুবা জাহান মীম তালাক নামা গ্রহন না করে ফিরে দেয়, তারপর থেকে তুবা জাহান মীম বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে তাকে মহরানার টাকা দাবী করে না হলে ধর্ষণ মামলা সহ বিভিন্ন মামলায় ভয় দেখায় তুবা জাহান মীম।

তুবা জাহান মীম এর পরকিয়ার শেষ নেই। স্বামী থাকতেও পরকিয়া ব্যস্ত তুবা জাহান মীম। এ বিষয়ে ৪র্থ স্বামী সোলায়মান খান বলেন তুবা’র অপকর্মের কথা বলতে লজ্জা পাচ্ছি, আমারও বোন আছে আমরাতো তাদের বিয়ের সময় কোন মিথ্যার আশ্রয় নেই নাই। আমি দ্রæত আইন গত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুুতি নিচ্ছে তুবাজাহান মীম এর প্রতারনা বিরুদ্ধে।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা