শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:০৬
শিরোনাম :
পটুয়াখালীর কালিশুরীতে ব্র্যাক ইউপিজি কর্মসূচির আওতায় ষাঁড় বিতরণ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ: নলছিটিতে গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন নলছিটিতে জমি নিয়ে বিরোধ: নির্মাণকাজে বাধা ও হুমকির অভিযোগ নলছিটিতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে পঁচা কলা বিতরণ: সরবরাহকারীকে ঘিরে অভিভাবকদের তীব্র ক্ষোভ শেবাচিম হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়নে বিসিসি প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনের মতবিনিময় সভা বিদ্যুৎ থাকলেও বন্ধ ফ্যান, নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নাভিশ্বাস নলছিটিতে জমি বিরোধের জেরে যুবককে কু*পি*য়ে জখম; থানায় অভিযোগ উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষ উদ্যোগ রক্তের সম্পর্ক ছাপিয়ে ৪ দশকের মায়া: গৃহকর্মীর মৃত্যুতে ৫শ মানুষকে খাওয়ালেন নলছিটির মাহফুজ খান নলছিটিতে আওয়ামী লীগ আমলে দখল হওয়া জমি ও দোকান উদ্ধারের দাবি সাবেক সেনাসদস্যের পরিবারের

১ হাজার ৯১ গৃহহীন পাচ্ছেন ঘর, উদ্বোধন ২৩ জানুয়ারি

অনলাইন ডেস্ক::

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ হাজার ৯১ জন ভূমি ও গৃহহীন পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার সরকারি ঘর। ইতোমধ্যে ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্মিত ঘর গুলো উদ্বোধন করবেন। সারা দেশে মডেল ৮টি উপজেলার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া একটি। সে জন্য আখাউড়া উপজেলার সাথে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন এসব কথা জানান।

সভায় জেলা প্রশাসক জানান, ‘আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ এই স্লোগানে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় যাদের জমি নেই, ঘর নেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯টি উপজেলায় সরকারি খাস জমিতে এই সব ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

জেলায় মোট ১ হাজার ৯১টি ঘরের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ৩২টি, বিজয়নগরে ১০০টি, সরাইলে ১০২টি, নবীনগরে ৪৮৫টি, নাসিরনগরে ৯১টি, বাঞ্ছারামপুরে ৬৪টি, আশুগঞ্জে ৬৮টি, কসবায় ১০৪টি ও আখাউড়া উপজেলায় ৪৫টি পরিবার সরকারি এ ঘর পাবেন।  ইতিমধ্যেই এসব ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জেলা প্রশাসক জানান, নির্মাণকৃত ১ হাজার ৯১টি ঘর ভূমিহীনদেরকে বুঝিয়ে দেয়ার পর দ্বিতীয় পর্যায়ে যাদের ভূমি ও ঘর নেই (ক-শ্রেনী) তাদের জন্য ৬ হাজার এবং যাদের ভূমি আছে ঘর নেই (খ-শ্রেনী) তাদের জন্য ৯ হাজার ৭৯১টি ঘর নির্মাণ করে দেয়া হবে।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা