সোমবার, ২রা আগস্ট, ২০২১ ইং, দুপুর ১২:২৫

অনিবন্ধিত মটরসাইকেলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজলী ডেক্স::

দুর্ঘটনা রোধে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করে ইজিবাইক, নসিমন, করিমন ও ভটভটিও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দুর্ঘটনা রোধে সারা দেশে মোটরচালিত রিকশা ও ভ্যান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সেই সঙ্গে অনিবন্ধিত মটরসাইকেলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
রোববার (২০ জুন) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরালো করা এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য টাস্কফোর্সের সভায় এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের সভাপতিত্বে সভায় অংশ নেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান, সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মশিউর রহমান রাঙা, পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদসহ টাস্কফোর্সের অন্য সদস্যরা।
সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনা রোধে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করে ইজিবাইক, নসিমন, করিমন ও ভটভটিও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এসময় আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা আনা ও দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যেই কমিটির দেওয়া বেশ কিছু সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে সেই বিষয়ে কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি।
সভার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে রিকশা-ভ্যানের মধ্যে মোটর লাগিয়ে রাস্তায় চলছে। শুধু সামনের চাকায় ব্রেক, পেছনের চাকায় কোনো ব্রেক নেই। সারা দেশে এ ধরনের রিকশা, প্যাডেলচালিত রিকশাকে যারা ইঞ্জিন দিয়ে রূপান্তর করেছেন, সেই সব রিকশা-ভ্যান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আজকের সভায় নেওয়া হয়েছে।
ইজিবাইক, নসিমন, করিমনের জন্যই কি দুর্ঘটনা ঘটছে? এগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নসিমন, করিমন, ভটভটি ও বিভিন্ন শহরে অটোরিকশা চলছে। নসিমন, করিমন পণ্য পরিবহন কিংবা যানবাহনের বিকল্প হিসেবে কাজ করছে। এটা নিয়েও আলোচনা হবে। খুব শিগগিরই এটাকে পরিমিত করা এবং ফাইনালি বন্ধ করা যায় কিনা সেটা নিয়ে আলোচনা হবে।
তাছাড়া, অনিবন্ধিত মটরসাইকেলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিকে, টার্মিনাল কিংবা নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোনো ধরনের চাঁদা বা টোল আদায় করা যাবে না বলেও জানান তিনি।
এছাড়া, নগরী কিংবা হাইওয়েতে কত সংখ্যক ও কী ধরনের বাহন চলাচল করবে সে বিষয়ে শিগগিরই বিশেষজ্ঞরা একটি প্রতিবেদন দেবেন জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ খাতে শৃঙ্খলা আনতে তাদের প্রতিবেদন অনুসরণ করা হবে।