বুধবার, ৬ই জুলাই, ২০২২ ইং, রাত ১:৪৮
শিরোনাম :
করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করতে ঢাকায় সেলিম মৃধা”সাক্ষাৎ করতে না পেলে আত্মহত্যার হুমকি বিজলী বার্তা’র সহ: আইটি সম্পাদক কমল কান্তি রায় এর মাতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে বনানীর এক রেস্তোরাঁকে লাখ টাকা জরিমানা ‘জুনে পদ্মা সেতুতে দাঁড়িয়ে পূর্ণিমার চাঁদ দেখবে বাংলার মানুষ’ লালমোহনে ব্রিজ ভেঙে কয়লাবোঝাই ট্রাক খালে, ভোগান্তিতে জনগণ শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল চেতনানাশক খাইয়ে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণ থাকছেনা ময়লার ভাগাড়, নির্মিত হবে শপিংমল ; মেয়র, সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে ভারতে বসুন্ধরা কিংস

সারা দেশে ইন্টারনেটের নতুন দাম নির্ধারণ, ১ সেপ্টেম্বর কার্যকর

অনলাইন ডেক্স::

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সারা দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের একই দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে। রাজধানীসহ দেশের যে কোনো শহর কিংবা ইউনিয়নে ইন্টারনেট সেবাদাতাদের একই দামে সংযোগ দিতে হবে। তবে নির্ধারিত দামের কম নেওয়া গেলেও কোনোভাবেই বেশি নেয়া যাবে না।

জানা গেছে, বিটিআরসি এই কর্মসূচির নাম দিয়েছে ‘এক দেশ, এক রেট’। ‘এক দেশ, এক রেটের’আওতায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য তিনটি প্যাকেজ থাকবে। ৫ এমবিপিএস ৫০০ টাকা, ১০ এমবিপিএস ৮০০ টাকা এবং ২০ এমবিপিএস এক হাজার ২০০ টাকায় পাওয়া যাবে।

ইন্টারনেট সেবাদাতারা জানান, এই দাম কার্যকর হলে ঢাকায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম প্যাকেজ প্রতি মাসে ১০০ থেকে ২০০ টাকা কমবে। তবে বেশি সুফল পাবেন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। ঢাকা ও চট্টগ্রামে ব্যান্ডউইথ সঞ্চালনের ব্যয় কম বলে ইন্টারনেট সেবার দাম কম রাখতে পারে সেবাদানকারীরা। ব্যান্ডউইথ ইউনিয়ন পর্যন্ত নিতে ব্যয় অনেক বেশি। এ কারণে সেখানে দামও বেশি রাখা হয়।

ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক জানান, ব্যান্ডউইথ সঞ্চালনের ব্যয় কমাতে পারলে গ্রামপর্যায়ে কমমূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেওয়া সম্ভব। সঞ্চালন ব্যয় বেশি হলে তো কারও পক্ষে কম দামে দেওয়া সম্ভব হবে না।

বিটিআরসির হিসাবে, দেশে গত মার্চ শেষে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সংযোগ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৮ লাখ। করোনাকালে এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এক বছর আগেও সংযোগ সংখ্যা ১৮ লাখ কম ছিল। করোনাকালে দেশে ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেড়েছে। পড়াশোনা, ঘরে বসে অফিসের কাজ করা এবং বিনোদনের জন্য ইন্টারনেট নির্ভরতা বাড়ছে।

ইন্টারনেট সেবাদাতাদের দাবি, একটি সংযোগের বিপরীতে অন্তত চারজন ব্যবহারকারী রয়েছেন। ওদিকে মোবাইল অপারেটরদের তারহীন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ কোটি ৫৬ লাখ।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ৯০ দিনে একবার ইন্টারনেটে প্রবেশ করলেই তাকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ধরা হয়।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা