রবিবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২২ ইং, দুপুর ১২:৪১
শিরোনাম :
ডেপুটি স্পিকারের মরদেহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বাংলাদেশকে আরো অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী পাথরঘাটার জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ, ওদের সবার মুখে হাসি জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় আগামী ৫ দিনে বৃষ্টি নিয়ে যা জানালো আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ রণবীরকে পেলে সত্যি বিয়ে করবেন দীঘি! মাত্র দেড় বছরের মাথায় পদত্যাগ করলেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে জমিসহ আরো ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান রাত ৮টার পর দোকানপাট খোলা থাকলে তদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন: প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে আদালতের সমন

স্পোর্টস ডেস্ক ::

শুধু অবৈধ উপায়ে বিয়েই নয়, রাষ্ট্রীয় নথি জালসহ বেশ কয়েকটি অপরাধে ফেঁসে যাচ্ছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন। অপরাধ প্রমাণিত হলে তার জন্য অপেক্ষা করছে বড় ধরনের শাস্তি।

নাসিরের আইনজীবী বলছেন, পিবিআইএর তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্রিকেটারদের নৈতিক স্খলন রোধে এগিয়ে আসতে হবে বিসিবিকে। পরামর্শ দিলেন স্থায়ীভাবে মনোবিদ নিয়োগেরও।

২২ গজের ক্রিকেটীয় পারফর্মেন্সে নয়, ব্যক্তিগত জীবনের কারণে বার বার আলোচনায় ক্রিকেটার নাসির। এবার জানা গেল যার সঙ্গে ৭ মাস ধরে ঘর করছেন সেই বউ নাকি তার বৈধ বউ নয়। পিবিআইয়ের এমন রিপোর্টে ওঠে সমালোচনার ঝড়।

তবে ঘটনার এখানেই শেষ নয়। নাসির-তাম্মির বিপক্ষে উঠেছে আরো গুরুতর অভিযোগ। প্রতারণা, বিচ্ছেদের কাগজ জালিয়াতি, মানহানি, ভুয়া নথিকে আসল কাগজ দাবী করার মত দণ্ডনীয় অপরাধ। যার জন্য তাদের বিরুদ্ধে অপেক্ষা করছে বড় ধরনের শাস্তি, দাবী রাকিবের আইনজীবী ইসরাত হাসানের।

তিনি বলেন, তারা একটা অপরাধ ঢাকতে গিয়ে আরো অনেকগুলো অপরাধের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছেন। ডাক বিভাগ থেকে স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়েছে তাদের দেওয়া স্মারক নাম্বার থেকে কোনো ডিভোর্স লেটার রাকিবের কাছে যায়নি। তার মানে নাসির দম্পতি সরকারি নথিপত্রও জালিয়াতি করেছে। যার শাস্তি ৭ বছরের জেল। এছাড়া ব্যাভিচারের জন্য ৫ বছর, স্বামী বর্তমান থাকা অবস্থায় আবার বিয়ে করার জন্য ৭ বছর, অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে আসার জন্য ৩ বছরের সাজা, মানহানীর জন্য ২ বছরের জেলসহ আরো অন্যান্য সাজাও যুক্ত হবে।

পিবিআইয়ের দেয়া প্রতিবেদন নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে নারাজ নাসিরের আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিদ আনওয়ার। পুরো ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেই সিদ্ধান্ত নিতে চান তারা।

সময় সংবাদকে তিনি বলেন, এটার যথারীতি আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এটাকে ডিফেন্ড করার জন্য চিঠিটাকে ভালো করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি সপ্তাহখানেকের জন্য ঢাকার বাইরে যাচ্ছি। এসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।

ক্রিকেটাররা সমাজের আইডল। লাখো তরুণ তাদের ফ্যান-ফলোয়ার। তাইতো তাদের নৈতিকতার শিক্ষা না দেয়ার দায় আছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবিরও। সেক্ষেত্রে পরামর্শ আসলো স্থায়ী মনোবিদ নিয়োগেরও।

এ প্রসঙ্গে মনোবিদ ডা. সেলিম চৌধুরী বলেন, যখনই এ ধরনের আইডলরা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পরে তার প্রভাব তরুণ সমাজের উপরও পরবে। একজন ক্রিকেটার তারকা হয়ে গেলে তার ওপর অনেক চাপ চলে আসে। সে চাপ মোকাবেলায় বিসিবির উচিত একজন নিয়মিত মনোবিদ নিয়োগ দেওয়া।

পিবিআইয়ের তদন্ত রিপোর্ট দেখার পর নাসির, তামিমা এবং তার মাকে ৩১ অক্টোবর হাজির হতে সমন জারি করেছেন আদালত।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা